
ইকবাল মাহমুদ জুয়েল
সরিষাবাড়ী(জামালপুর)প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১০ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়েছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ। নতুন এ কমিটিতে ঠাঁই পাননি আলোচিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।
গেল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ্র ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।এর আগে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে সভাপতি পদে ছানোয়ার হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক পদে তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদের নাম ঘোষণা করা হয়।
এরপর দীর্ঘ ১০ মাস পর বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ্রের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।
নতুন কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন মো. আব্দুল গণি, পৌর মেয়র মনির উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, সরিষাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সরোয়ার জাহান, আবুল হোসেন, আনিছুর রহমান, একেএম আনিছুর রহমান, মো. আনোয়ারুল কবীর, যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, জহুরুল ইসলাম ও খোরশেদ আলম।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর বিতর্কের মধ্যে সেসময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ভালুকার বার্তাকে বলেন, জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু কমিটিতে সবাইকে রাখা সম্ভব না। বির্তকিত কর্মকাণ্ড করায় দলের প্রাথমিক সদস্য পদ ও প্রতিমন্ত্রীর পদও হারাতে হয়েছে ডা. মুরাদকে। সেখানে উপজেলার কমিটিতে রাখা সুযোগ নেই। তবে ডা. মুরাদকে কোনো ষড়যন্ত্র করে বাদ দেওয়া হয়নি। তাকে কমিটিতে রাখা হয়নি বলে উপজেলা নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হবে না এবং নির্বাচনেও এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
