
ডেস্ক রিপোর্ট: আশুলিয়ায় এক নবদম্পতি বেড়াতে গিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ জুলাই) রাত ১১টার দিতে তাদের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার এস আই সোহেল মোল্লা।
এর আগে বিকালে তাদের উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে গেল স্ত্রী মারুফা আক্তার মুন্নীকে (১৮) মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক ও উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বামী মো. মৃদুলকে (১৯) সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মো. মৃদুল জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার গুনিপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। অপরদিকে নিহত মারুফা আক্তার মুন্নী (১৮) দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার আরদি গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। তারা আশুলিয়ার ধলপুরে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতো।
মৃদুলের ফুফা বেলাল হোসেন বলেন, মৃদুল ও মারুফার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।উভয় পরিবার মেনে নিয়ে প্রায় ৪ মাস আগে তাদের বিয়ে দেন। মৃদুল পড়ালেখার পাশাপাশি পোশাক কারখানায় কাজ করত। তারা দুজন সামনে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। এর আগে মৃদুল পরীক্ষায় ফেল করেছিল।
আজকে দুপুরে দুজন স্মৃতিসৌধে ঘুরতে যাবে বলে বেরিয়ে যায়। পরে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুজনই বাড়ির দরজার সামনে এসে পড়ে যায়। মৃদুল অজ্ঞান হয়ে যায়। এসময় মারুফা জানায়, তারা বিষ খেয়েছে। তাদের বাঁচাতে বলে।
তারপর পরিবারের লোকজনসহ দুজনকে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে যাই। মারুফা মারা যায়। মৃদুল বেঁচে ছিল, তাকে এনাম মেডিক্যাল পাঠানো হলেও সেখানে গিয়ে সেও মারা যায়। কিন্তু কি কারণে তারা বিষ খেল, আমরা দুই পরিবারই বুঝে উঠতে পারছি না।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এস আই সোহলে মোল্লা বলেন, এই দম্পত্তির উভয়ের পরিবারই আশুলিয়া বসবাস করে। খবর পেয়ে নিহত মারুফার মরেদহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা, বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার স্বামী মৃদুলও মারা গেছে। তাদের মরদেহ ময়না তদন্তে পাঠানোর জন্য প্রক্রিয়া চলছে। তবে তাদের আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।
